দ্য গার্ল উইথ দি ড্রাগন ট্যাটু

লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

ক্যাটাগরি: অনুবাদ

মিলেনিয়াম ট্রিলজি হিসেবে পরিচিত তিনটি বিখ্যাত থ্রিলার উপন্যাসের প্রথম উপন্যাস- ‘দ্য গার্ল উইথ দি ড্রাগন ট্যাটু’। বইটি প্রকাশিত হয় লেখকের মৃত্যুর কয়েক বছর পর। লেখক একজন ফিনান্সিয়াল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট ছিলেন তাই কর্পোরেট জগতে উনার অনেক শত্রু ছিলো, সেজন্য উনার মৃত্যুর পর উনার মৃত্যু নিয়েও অনেক গুজব রয়েছে। এই ট্রিলজি বের হওয়ার পর সারা ইউরোপে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এখন পর্যন্ত ৫৫ মিলিয়নের চেয়ে বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এই বই। এই বইয়ের প্রধান চরিত্র মিকাইল ব্লমকোভিস্টও লেখকের মতো একজন জার্নালিস্ট যিনি মিলেনিয়াম নামে এক পত্রিকার প্রধান সাংবাদিক। মিকাইল ব্লমকোভিস্ট এক মানহানির মামলায় হেরে গিয়ে যখন প্রায় বিপর্যস্ত তখনই তার কাছে এক প্রস্তাব আসে ৪০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া হ্যারিয়েট ভেঙ্গার নামে এক তরুণীর হারিয়ে যাওয়ার রহস্য ভেদ করার জন্য। সেখানেই তার সাথে পরিচয় হয় লিসবন সালান্ডার নামে এক অদ্ভুত তরুণীর সাথে। লিসবন সালন্ডার যে আপত দৃষ্টিতে দেখতে ভবঘুরে বা মানসিক রোগীদের মতো, মাথায় লাল লাল চুল তার উপর কালো করে ডাই করা, নাকে আর ভ্রুতে রিং পরা, ঠোঁটে কালো লিপস্টিক, শরীরের বিভিন্ন যায়গায় ট্যাটু করা, কাধে একটা ড্রাগনের ট্যাটু। ২৪ বছর বয়সী তরুণী লিসবন কে যে কেউ ১৬/১৭ বছরের টিনএজ বলে ভুল করবে। সে একজন অন্তর্মুখী মেয়ে যার অতীত খুব কম মানুষ জানে, সে অসামাজিক, মানুষের সাথে মিশেনা অথবা বলা যায় কারো ধার ধারেনা। কিন্তু তার অসাধারণ কিছু গুণ রয়েছে যেগুলো শুধু যাদের সাথে সে কাজ করে তারাই বুঝতে পারে। অসাধারণ ফটোগ্রাফিক মেমোরি আর কম্পিউটার এক্সপার্ট যে ইচ্ছে করলে যে কোনো কম্পিউটার হ্যাক করে তথ্য বের করতে পারে। আপাত দৃষ্টিতে ব্লমকোভিস্ট আর সালান্ডার কোনো যোগসূত্র না দেখা গেলেও একসময় তাদের এক সূত্রে গাথেন হেনরিক ভ্যাঙ্গার নামে বিরাশী বছরের এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী যিনি চল্লিশ বছর ধরে এক রহস্য বুকে নিয়ে ঘুরছেন। হেনরিক ভ্যাঙ্গার ব্লমকোভিস্ট কে নিয়োগ করেন তার ভাতিজি হ্যারিয়েট ভ্যাঙ্গারের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া রহস্য ভেদ করার জন্য, আর তার সাথে যুক্ত হয় লিসবন সালান্ডার। কিন্তু তারা সেই রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বের হয়ে আসে ভ্যাঙ্গার ফ্যামিলির এক কালো অধ্যায়, তারা কি পেরেছিলো হ্যারিয়েটের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার রহস্য ভেদ করতে? কি হয়েছিলো হ্যারিয়েটের সাথে, সে কি বেঁচে আছে নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে? এ সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে বইটি পড়তে হবে।



দ্য গার্ল উইথ দি ড্রাগন ট্যাটু
বইটির রিভিউ দিন

রিভিউ দিন